Buy IP

********** Welcome to Buy ip **********

Friday, December 18, 2015

আজব এক ফলের সন্ধান: ৫ মিনিটেই ধ্বংস হবে ক্যান্সার

 আজব এক ফলের সন্ধান পাওয়া গেছে। যে ফল খেলে ৫ মিনিটেই ধ্বংস হবে ক্যান্সারের মতো কঠিন রোগ! অস্ট্রেলীয়ার বিজ্ঞানীরা এই দাবি করেছেন।
অস্ট্রেলীয়র গবেষকরা আবিষ্কার করেছন এক ক্যান্সার-বিরোধী ফল। অস্ট্রেলীয়ার একাংশের গাছে এই ফল পাওয়া যায় বলে দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা। এই ফল দেখে রীতিমত বিস্মিত হয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
দীর্ঘ প্রায় ৮ বছর ধরে গবেষণা চালানোর পর ব্রিসবেনের একটি ইন্সটিটিউট এই আজব ফল আবিষ্কার করেছেন। ঘাড় ও মাথার টিউমার ধ্বংস করার এক আশ্চর্য ক্ষমতা রয়েছে এই ফলের- এমন দাবি করছেন গবেষকরা।
এ পর্যন্ত ওই ফল হতে তৈরি একটি ওষুধ ৩শ’ টি প্রাণীর ওপর প্রয়োগ করা হয়েছে। দেখা গেছে, ৭৫ শতাংশ ক্ষেত্রে টিউমার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, আর তা ফিরে আসছে না।
গবেষকরা জানিয়েছেন, এই ফল হতে ওষুধ তৈরি করা কঠিন এবং বেশ সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। তবে এই ওষুধের কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। বিজ্ঞানীদের আরও একটি বিষয় বেশি চমক দিয়েছে, আর তা হলো মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যে এই ওষুধ কাজ করা শুরু করে দেয়। আর মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে উধাও হয়ে যায় টিউমার। বিজ্ঞানীরা ভাবছেন ফল হতে প্রাপ্ত এই ওষুধটি যদি সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায় তাহলে মানব ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব ঘটনার সূত্রপাত ঘটবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। আরো জানুন 


Join | Invite | Earn



Wednesday, December 16, 2015

জিভ দেখেই রোগ নির্ণয় করা সম্ভব!


জিভ শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। অথচ এই জিভকে আমরা বেশি গুরুত্ব দেই না। জিভ দেখেই অনেক রোগ নির্ণয় করা সম্ভব।জিভের রং, অবস্থা দেখে বোঝা যায় আপনার শারীরিক অবস্থা। কি, অবাক হয়েছেন? জিভ কীভাবে বলবে আপনার স্বাস্থ্যের কথা! হ্যাঁ, জিভ বলবে আপনি কতোটা সুস্থ। আসুন জেনে নিই জিভ দেখে স্বাস্থ্য সমস্যা জানার উপায়। আর মিলিয়ে নিন আপনি কোনো স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন না তো?
লাল জিভ : লাল জিভ ভিটামিনের অভাব নির্দেশ করে থাকে। শুধু ভিটামিনের অভাব নয় আয়রন, বি১২ এর মত জরুরী উপাদানের অভাবও প্রকাশ করে থাকে। এই সকল ভিটামিনের অভাবে আপনার জিভ খুব মসৃণ হয়ে যায়। এই লাল জিভ জ্বরেরও নির্দেশ করে থাকে।
সাদা ছোপ ছোপ দাগ : অনেকের জিভে সাদা সাদা ছোপ ছোপ দাগ পড়ে। এটি মুখের ভিতরে ফাঙ্গাস হওয়ার ইঙ্গিত করে থাকে। যদি এই দাগ বেশি পরিমাণে হলে আপনি মারাতœক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে আছেন। দীর্ঘদিন যাবত অ্যান্টিবায়োটিক সেবন, ডায়াবেটিকসের রোগী, হজমের সমস্যা থাকলে অথবা অ্যাজমা থাকলে আপনার জিভে সাদা সাদা ছোপ ছোপ দাগ পড়তে পারে। এটি লিউকোপালকিয়া রোগের লক্ষণ প্রকাশ করে থাকে। এছাড়া এটি দীর্ঘস্থায়ী হলে ওরাল ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
জিভে ঘা হলে : আমাদের অনেকের জিভে ঘা হয়ে থাকে। প্রথম কয়েকদিন ব্যথা থাকলেও আস্তে আস্তে ব্যথা কমে ঘা ভাল হয়ে যায়। সাধারণত এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে এই ঘা ভাল হয়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের ডাক্তার এ্যালান বলেন “যদি কোন প্রকার চিকিৎসা ছাড়া দু সপ্তাহের মধ্যে ঘা ভাল না হয় তবে অব্যশই ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করতে হবে। কারণ ঘা ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ”।
দানাদার জিভ : আপনার জিভে যদি দানার মত ছোট ছোট দানা হয়ে থাকে তবে বুঝতে হবে আপনার শরীরের ফলিক এসিড ও ভিটামিন বি১২ অভাব দেখা দিয়েছে। আর এই কারণে আপনার জিভে ছোট ছোট দানা দেখা দিয়েছে। এছাড়া অনেক বেশি জ্বর থাকলেও জিভ লাল এবং দানাদার হয়ে যেতে পারে। 


লালচে রংয়ের ডিম ক্ষতিকারক!

শীতকালে বাজারে ডিমের দাম অনেকটা বেড়ে গেলেও এই লাল রঙের ডিম খুব সস্তায় বিক্রি করেন কিছু ডিম ব্যবসায়ী। আর মূল্যবৃদ্ধির বাজারে সস্তার জিনিসের লোভটা ছাড়তে না পেরে রমেনবাবুর মত ‘মুরগি’ হয়েছেন অনেকেই।
পোলট্রি বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বাজারে দু’রকমের পোলট্রির ডিম পাওয়া যায়। সাদা ও লাল রংয়ের। তাঁদের মতে, সাদা ডিমগুলি ফুটে বাচ্চা হওয়ার কোন সম্ভাবনাই থাকে না। এদেরকে বলা হয় ‘নন হ্যাচ’। কিন্তু লাল ডিমগুলি পোলট্রিতে বাচ্চা হওয়ানোর জন্যই ব্যবহার করা হয়। তাই এই ধরনের ডিমকে চলতি কথায় ‘হ্যাচারি ডিম’ বলে। এই ডিমগুলি থেকে বাচ্চা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে শতকরা আশি শতাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ৯৯.৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট ও ৫০ শতাংশ আদ্রতায় ২১ দিন ধরে লাল ডিমগুলিকে ইনকিউবেটারে রাখা হয়। ২১ দিন রাখার পর ডিমগুলি ফুটে বাচ্চা বেরোতে শুরু করে।
পোলট্রি ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, ১৮ থেকে ২০ দিনের মাথায় বোঝা যায় কোন ডিমগুলি থেকে বাচ্চা হবে না। তখন সেই ডিমগুলিকে আলাদা করে দেওয়া হয়। আর এই ডিমগুলিই বিক্রির জন্য চলে আসে বাজারে।
কিন্তু পোলট্রি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৮ থেকে ২০ দিন ইনকিউবেটারে থাকার ফলে এই বাতিল ডিমগুলিতেও অনেক সময়ই ভ্রুণ তৈরি হয়ে যায়। পাশাপাশি প্রচুর গরমে থাকার জন্য হ্যাচারির ডিমের কুসুম নষ্ট হয়ে যায়। তাই এই লাল ডিম সেদ্ধ বা পোচ করা যায় না। সাধারণ মানুষ বুঝতে না পেরে অনেক সময়ই এই ডিম কেনেন যা শরীরের জন্য রীতিমতো ক্ষতিকারক।
শিয়ালদহ ডিমপট্টির ব্যবসায়ীদের একাংশ জানাচ্ছেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী হ্যাচারির বাতিল ডিমগুলি এনে পাইকারি দরে বিক্রি করেন বাজারে। এক ব্যবসায়ীর দাবি, ফার্স্ট ফুডের দোকানে মূলত এই ডিম ব্যবহার করা হয়। যেহেতু ডিমগুলি আকারে বড় তাই দু’টো ডিমকে ভেঙে হামেশাই তিনটে করে নেওয়া যায়। আলোর সামনে ধরলেই দেখা যায় এই ডিমগুলোর ভেতরে কুসুম ভেঙে গিয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘খুচরো ডিম বিক্রেতাদের কাছে খুব বেশি থাকেনা হ্যাচারির ডিম। পাইকারি বাজারে এই ডিমের প্রচুর চাহিদা। ভাল পোলট্রির ডিমের দাম যেখানে চার টাকা-সাড়ে চার টাকা, সেখানে হ্যাচারি ডিমের দাম বড়জোর দেড় টাকা। তাই এই ডিম কেনা অনেক বেশি লাভজনক। আর তাতেই ফুলে ফেঁপে উঠছে অসাধু চক্র।’’
ডায়েটিশিয়ান রোশনি রায়চৌধুরী জানাচ্ছেন, ইনকিউবেটারের গরমে ডিমের সাদা অংশ অর্থাৎ অ্যালবুমিন এবং কুসুম অর্থাৎ প্রোটিনের অনুপাত এলোমেলো হয়ে যায়। ফলে সাধারণ ডিমের যা পুষ্টিগুণ এ ক্ষেত্রে প্রায় তার উল্টো। ভিটামিন বি(১২) এবং কোলেস্টেরল-এর পরিমাণও পাল্টে যায়। ন্যাশ্যানাল এগ কো-অরডিনেশন কমিটি (এনইসিসি)-এর এক কর্তা জানাচ্ছেন, মানুষের খাওয়ার অযোগ্য হ্যাচারির ডিম। শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকারক। এই ডিম রক্তে কোলেস্টেরল বাড়ায়, হাড়কে দুর্বল করে।
এ ছাড়াও আরও নানা রকম পেটের সমস্যা দেখা যেতে পারে এই ডিম খাওয়ার জন্য। এই ধরনের ডিম বিক্রির বিরোধিতা করে তিনি বলেন, ‘‘শুধু ফার্স্ট ফুডের দোকানেই নয়, ছোট-বড়, নামী-অনামী বিভিন্ন কেক প্রস্তুতকারক সংস্থাও সস্তার কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করেন হ্যাচারির ডিম। প্রতিদিন সকালেই বিভিন্ন কেক প্রস্তুতকারক সংস্থার গাড়িতে পেটি পেটি হ্যাচারির ডিম ওঠে। রোজ ঠকছেন সাধারণ মানুষ। এর ব্যবহার বন্ধ হওয়া দরকার।’’
যদিও শিয়ালদহ ডিমপট্টির সম্পাদক কাজল গুপ্ত জানাচ্ছেন,ভেতরে ভ্রূণ জন্মে যাওয়া হ্যাচারির ডিম ফেলে দেওয়া হয়। সেগুলো ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হয় না ব্যবসায়ীদের। তবে হ্যাচারি ডিমের ভাল বাজার আছে স্বীকার করে নিয়ে তিনি বলেন, ‘‘হ্যাচারি ডিম তো খারাপ না। আমরা সবসময় নজর রাখি কেউ খারাপ ডিম বিক্রি করছে কি না। এই বাজারে কোনওরকম অসাধু ব্যবসা হয়না।’’
তবে এনইসিসির ওই কর্তা বলেন, ‘‘সচেতনতার মধ্যে দিয়েই এই ডিম বাজারে বন্ধ হওয়া সম্ভব। বড় আকারের সস্তার ডিম দেখেই কেনা উচিত নয়।’’ আরো জানুন 


Tuesday, December 15, 2015

Bangladesh gazettes new pay scale for public servants

 
In September this year, the new pay scale was approved with a highest basic pay of Tk 78,000 and a minimum of Tk 8,250. It allowed an across-the-grade hike ranging from 91 to 101 percent.
The basic pay for officers and other employees and the arrears will have retroactive effect from July 1 this year and the allowances will be paid from July 1, 2016.
The Seventh Pay Scale, introduced on July 1, 2009, had awarded a highest basic of Tk 40,000 and a minimum of Tk 4,100.
The new structure has dropped the class categories, selection grade, and time scale. The annual increment will be a percentage of the basic pay.
Government employees will get two festival bonuses as well as 20 percent of the basic as Bangla New Year allowance.
The new pay scale will impose a burden of over Tk 159.04 billion on the government in the current financial year. Next year, it will be more than Tk 238.28 billion.
Mohammad Farasuddin, former governor of Bangladesh Bank, made the recommendations of the 8th Pay Commission on Dec 21 last year.
It had recommended a minimum scale of Tk 8,200 and a highest of Tk 80,000.
A secretaries’ committee reviewed the recommendations and revised the basics to a minimum of Tk 8,250 and a highest of Tk 75,000.
The recommendation of the secretaries was further reviewed by the finance ministry, with the final figures emerging as Tk 8,250 at the bottom and Tk 78,000 at the top.
The Pay Commission had recommended a 16-grade structure, but a 20-grade structure, recommended by the secretaries’ committee, was finally approved by the Cabinet in September this year. For More


Monday, December 14, 2015

কৃষিকাজ করেই স্বাবলম্বী সেলিম


কৃষিকাজ করেই স্বাবলম্বী সেলিম
নাটোরের সেলিম কৃষিকাজ করেই স্বাবলম্বী। নাটোর সদরের আহমেদপুর এলাকার মো. নাজিম উদ্দিনের ছেলে সেলিম রাষ্ট্রবিজ্ঞানে মাস্টার্স পাশ করার পর চাকরী করতেন। ভালো লাগেনি বলে পর পর কয়েকবার কর্মক্ষেত্র বদল করেন। কিন্তু পরের অধীনে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না সেলিম। তাই নিজেই কিছু করার কথা ভাবলেন।  ২০০০ সালে সারা দেশের ঔষধি বৃক্ষরোপনের সরকারি প্রচারণায় উৎসাহিত হয়ে ২ বিঘা জমিতে ঘৃতকুমারী, মিছরীদানা ও শতমূল চাষ করেন। ভালো উৎপাদন হলেও উৎপাদিত পণ্য বিক্রির সুব্যবস্থা না থাকায় ঔষধি চাষ বন্ধ করে দেন। ২০০৪ সালে ৩৮ বিঘা জমিতে রোপন করেন আপেল কুল। মাত্র তিন বছরেই আপেল কুলের গাছ নষ্ট হয়ে যায়। এ কারণে তিনি কলম প্রযুক্তির মাধ্যমে এগুলোকে থাইকুলে রূপান্তরিত করেন। ২০০৬ সালে ৯ বিঘা জমিতে শুরু করেন পেয়ারা চাষ। কিছুদিন পরে অসময়ে বাঙ্গী, গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ, লেবু, পেঁপে, ড্রাগন ও শরিফা চাষ শুরু করেন। বর্তমানে ৭০ বিঘা জমিতে তার এসব ফসল রয়েছে। এই ৭০ বিঘার মধ্যে ২৪ বিঘা জমি নিজের এবং ৪৬ বিঘা প্রতি বছর ১০ থেকে ১২ হাজার টাকায় লিজ নেয়া। তার এসব ফসল রক্ষণাবেক্ষণে সার্বক্ষণিক নিয়োজিত আছে ২৮ জন শ্রমিক। ফসল তোলার মৌসুমে এখানে কাজ করে আরও শতাধিক শ্রমিক। এসব চাষাবাদের মধ্যে শরিফা ও ড্রাগন চাষে সে এখন ভীষণ মনযোগী।  সেলিম রেজা মাটির স্বাস্থ্য রক্ষায় মাটিতে পঁচনশীল কৃষি প্রযুক্তি মালচিং পেপার যার এক পৃষ্ঠা সাদা ও অন্য পৃষ্ঠা কালো রঙের হয়ে থাকে। শীতপ্রধান দেশে কালো পৃষ্ঠা মাটির উপরে এবং আমাদের দেশে সাদা পৃষ্ঠা মাটির উপরের দিকে রাখতে হয়। প্রথমে মাটিতে চাষ ও জৈব সার দিয়ে তৈরি করে মাটি ভালোভাবে মালচিং পেপার দিয়ে ঢেকে দিতে হয়। পরে নির্দিষ্ট দূরত্বে চারা রোপন করতে হয়। এতে মাটিতে খাবার ও সেচ কম লাগে, আগাছা জন্মায় না বলে শ্রমিক কম লাগে, পোকামাকড়ের আক্রমণ কম হয় এতে মাটির আদ্রতা রক্ষাসহ ফসলের খাবারের প্রয়োজন হলে মাঝে যে ড্রেন থাকে সেই ড্রেনের ভেতর সেচ দিয়ে ড্রেনের ভিতর খাবার প্রয়োগ করলে গাছ তা গ্রহণ করে।  সেলিম রেজা মনে করেন, আমাদের দেশে এ পদ্ধতি চালুর মাধ্যমে মাটির স্বাস্থ্য রক্ষাসহ অর্গানিক ও কম খরচে বিভিন্ন ফল, সবজি, ফুল যেমন-স্ট্রবেরি, পাতা ও বাধাকপি, বেগুন, শসা, করলা, পটল, পুঁইশাক, লেবু, শরিফা পেয়ারাসহ নিদিষ্ট দূরত্বে যে সকল ফসল উৎপাদন করবে তার সবগুলোই উৎপাদন সম্ভব। গত তিন বছর ধরে সেলিম তার খামারে পরীক্ষামূলক এ পদ্ধতির ব্যবহার করে আসছেন।  সেলিম রেজা জানান, ২০০০ সালে মাত্র ২৫ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে ২ বিঘা জমিতে ঔষধি গাছ লাগানোর মধ্যেমে যে কাজ তিনি শুরু করেছিলেন আজ তা সুবিশাল আকার ধারণ করেছে। বর্তমানে ৭০ বিঘা জমিতে তার ফসল ফলাতে বীজ, পানি, শ্রমিকসহ নানা খাতে বছরে ব্যয় হয় প্রায় ৪০ লাখ টাকা। আর গত বছর  খরচ বাদেই তার লাভ হয়েছে কোটি টাকার ওপরে। তিনি মনে করেন, যে কোন চাকরির চাইতে কঠোর পরিশ্রম, বুদ্ধি আর একাগ্রতা থাকলে আমাদের দেশের জমিতে ফসল ফলিয়ে যেকোন যুবক ১০ থেকে ১৫ বছরেই পুরোপুরি স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব।        আরো জানুন 


Thursday, December 10, 2015

ভাপা পিঠা

 ভাপা পিঠা। ভোজনরসিক হিসেবে আমরা সবার উপরে। যিনি এই পিঠা খেয়েছেন খুব ভালো করে জানেন স্বাদ কেমন। বাংলাদেশের প্রায় সবাই এর স্বাদ জানে। আমরা সাধারনত শীতে পিঠা খাই। কিন্তু কোথাও এখন পর্যন্ত বলা হয়নাই এই পিঠা শুধুমাত্র শীতেই খেতে হবে। সবাই সবাইকে দাওয়াত দিন আর পিঠা খাওয়ান। সাথে আমাদের ও দাওয়াত দিলেন। এসে আপনার এলাকা ঘুরে গেলাম আর কিছু খাওয়া দাওয়া আর আড্ডা ও হল।