heart ইমোটিকন স্ত্রীর জন্য পাগলপারা এক স্বামীর গল্প বলছি... ♥♥♥ এক লোক, সে ছিল তার স্ত্রীর জন্য পাগল, যদিও তাদের দাম্পত্য জীবনের এই ১০ বছর খুব মসৃন ও সবসময় সুখকর ছিল না। যখন তাকে জিজ্ঞেস করা হলো কেন সে তার স্ত্রীর মধ্যে এমন কি পেয়েছে যার জন্য সে তার প্রশংসামুখর, সে বললঃ " যখন থেকে আমাদের সংসারের শুরু, আমার অবস্থা যতই খারাপ হচ্ছিল, আমার স্ত্রী আরো বেশী বেশী করে অনুরোধ করছিল আমাকে নামাজ আদায় করার জন্য, কখনই সে এই নসিহত করা বাদ দেয় নাই। বছরের পর বছর পার হয়ে গেলেও আমি তার এই কথার কোন মূল্য আর পাত্তা দেই নাই। কিন্তু, যেদিন আমাদের ১০ম বিবাহ বার্ষিকীর দিন ঘনিয়ে এল আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, সে এবার উপহার হিসেবে কী পাওয়ার ইচ্ছা করছে আমার কাছে। সে খুব সোজা ও সুন্দরভাবে উত্তর দিয়ে বলল, "তুমি যদি আজ থেকে নামাজ পড়া শুরু কর তবে সেটাই হবে আমার জীবনের সবথেকে দামী উপহার পাওয়া" আমি তাকে সেদিন আর না করতে পারি নাই, তার কথা ফেলে দিতে পারি নাই। তখন থেকেই আমি আমার নামাজের ব্যাপারে সচেতন এবং নিয়মিত, আলহামদুলিল্লাহ! আমার জীবনের এত্ত সুন্দর একটা পরিবর্তনের কারন সেইই এবং আমি তাকে ভালবাসি। আজো আমি দুঃখ করি যে আমার জীবনের কত মূল্যবান সময় অপচয় করেছি এই নামাজ না পড়ে" এই ভাইয়ের জীবন থেকে আমাদের বোনেরা একটা শিক্ষা নিতে পারেন। সেই সকল বোনদের বলছি, আপনারাই পারেন আপনার স্বামীর জীবনকে, আপনাদের জীবনকে জান্নাতমুখী করতে। নামাজ, রোজাসহ ইসলামের যাবতীয় রীতি-নীতি মানতে আপনারাই আপনাদের স্বামীদের উৎসাহিত করতে পারেন। এভাবেই আপনারা দুনিয়ার বস্তুবাদী উপহার না নিয়ে পেতে পারেন আখিরাতের জান্নাতের স্বাদ, জান্নাতি উপহার। তাই আসুন দাম্পত্য জীবনকে করে তুলুন আখিরাত ও জান্নাত মুখী। মনে রাখবেন, পৃথিবীর উপহার ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু পরকালের উপহার আল্লাহর পক্ষ থেকে এবং তা চিরস্থায়ী। আল্লাহ সকলকে জান্নাতি ও পরহেযগার দাম্পত্যসংগী ও জীবন দান করুন, আমীন
একটি_উপদেশমূলক_সত্য_ঘটনা । একজন সম্ভ্রান্ত নারীর বিয়ে হল ইসমাইল নামে একজন পুরুষের সাথে। যিনি ছিলেন একজন পরহেযগার, আল্লাহওয়ালা এবং বড় আলেম। তিনি হজরত ইমাম মালেক (রহঃ) এঁর শিষ্য ছিলেন। . বিয়ের ফলশ্রুতিতে আল্লাহ তায়ালা তাদের একটি ছেলে দান করেন। তার নাম রাখেন মোহাম্মাদ। বিয়ের কয়েক বছরের মাথায় স্বামী ইসমাইল ইন্তেকাল করেন। তবে তিনি স্ত্রী-পুত্রের জন্যে যথেষ্ট সম্পদ রেখে যান। . মায়ের আশা তার ছেলে হয়ে পিতার মত বড় আলেম হবে। তার জ্ঞানের আলো পুরো পৃথিবীতে ছড়িয়ে যাবে। কিন্তু ছেলের জ্ঞান অর্জনের পিছনে বাধা হয়ে দাড়ালো তার অন্ধত্ব। ফলে মায়ের দুঃখের সীমা থাকল না। এখন মায়ের কাছে একটাই পথ খোলা, তা হল আল্লাহর কাছে ছেলের জন্য দোয়া করা। তাই মা ছেলের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করতে লাগলেন। . অতঃপর এক রাতে স্বপ্ন দেখেন যে, তাকে বলা হচ্ছে, তোমার ছেলের চোখ ভালো হয়ে গেছে। . সকালে যখন তার ছেলে ঘুম থেকে জেগে উঠে, তখন মা দেখলেন তার ছেলের চোখ সত্যিই ভালো হয়ে গেছে। . আপনারা কি জানেন, এই দোয়া প্রার্থনাকারী মা কে ছিলেন ? . তিনি ছিলেন হজরত ইমাম বোখারী (রহঃ) এঁর মাতা। . আল্লাহ তায়ালা ইমাম বোখারী (রহঃ) এঁর মায়ের দোয়ার বদৌলতে তাঁর অন্ধত্ব দূর করে দেন এবং মায়ের দোয়ার বদৌলতে আল্লাহ ইমাম বোখারী (রহঃ) কে এমন জ্ঞান দান করেন যে, তাঁর লেখা হাদিস গ্রন্থ বোখারী শরীফকে' বিশুদ্ধতার দিক দিয়ে পবিত্র কোরআনের পরেই কিতাবটির অবস্থান ধরা হয়। . আর মায়ের দোয়ার বদৌলতে ইমাম বোখারী হয়ে গেলেন সকল হাদীসবীদদের ইমাম (নেতা)। তাইতো হাদীসে বলা হয়েছে, আল্লাহর সন্তুষ্টি পিতা-মাতার সন্তুষ্টির মধ্যে নিহিত। . উপদেশঃ যাদের পিতা-মাতা বেঁচে নেই মহান আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করুন। আর যাদের পিতা মাতা বেঁচে আছেন, তাদেরকে নেক হায়াত ও বেশী বেশী খিদমত করার তৌফিক দান করুন।
চার ধরনের মেয়ে বিয়ে করলে সংসারে সুখ হবেনা। _____ইমাম গাজ্জালী (রঃ) ১) আহেরাঃ- তাদেরকে বলে, যারা রূপের চর্চা করে। এই জাতীয় মেয়ে যারা বিয়ে করবে তাদের সংসারে সুখ হবেনা। ২) নাদিছাঃ- নাদিছা তাদের বলা হয় যারা শুধু রূপের চর্চা করেনা বরং রূপের অহংকারও করে। বললে বুঝতে পারবেন চামড়া একটু ফর্সা তাদের পাশে যদি কাল মেয়ে যায়, তবে তাকে মেয়েই মনে করে না। কারন অহংকার ওদের মনে। এদের বিয়ে করলে সংসারে সুখ হবেনা। ৩) মুত্তালিহাঃ- মুত্তালিহা বিশ্লেষণ করতে গেলে আগে তাদের পরিচয় দেয়া লাগবে। স্ত্রীদের মধ্যে ২টা ডায়লগ আছে ১. তুমি আমারে কি দিলে? ২. আমি বলেই তোমার ভাত খাচ্ছি অন্য কেউ হলে চলে যেতো! এরা স্বামীর অবাধ্য হয়। স্বামীকে খোটা দেয় যে তা বুঝতে আর বাকি আছে ভাইয়া? এ জাতীয় মেয়ে দ্বারা কখনও সংসারে সুখ আসতে পারেনা। ৪) মুবারিয়াঃ- মুবারিয়া হল তারা, যারা মনে করে স্বামী থাকলে ভাল, আর স্বামি না থাকলে তাদের ইজ্জত মান সব গেল। তারা বেহায়াপনা বেপর্দায় চলাফেরা করে। এ জাতীয় মেয়েরা সংসারের গদিতে আগুন জ্বালাবে একসাথে।
দুই ভাইয়ের শিক্ষামূলক একটি অসাধারণ গল্প' । ============================== উমর রাদিআল্লাহু তাআলা আনহুর শাসন আমল, একদিন ২জন লোক এক বালককে টেনে ধরে নিয়ে আসল তাঁর দরবারে । উমর রাদিআল্লাহু তাআলা আনহুঃ তাদের কাছে জানতে চাইলেন যে,'ব্যাপার কি, কেন তোমরা একে এভাবে টেনে এনেছ ?' তারা বললঃ 'এই বালক আমাদের পিতাকে হত্যা করেছে ।' উমর রাঃ বালকটিকে বললেন 'তুমি কি সত্যিই তাদের পিতাকে হত্যা করেছ ?' বালকটি বলল' হ্যা আমি হত্যা করেছি তবে তা ছিল দূর্ঘটনাবশত, আমার উট তাদের বাগানে ঢুকে পড়েছিল তা দেখে তাদের পিতা একটি পাথর ছুড়ে মারল,যা উটের চোখে লাগে । আমি দেখতে পাই যে উটটি খুবই কষ্ট পাচ্ছিল । যা দেখে আমি রাগান্বিত হই এবং একটিপাথর নিয়ে তার দিকে মারি, পাথরটি তার মাথায়লাগে এবং সে মারা যায় ।' উমর (রাঃ) ২ভাইকে বলেলন 'তোমরা কি এ বালককে ক্ষমা করবে ?' তারা বলল 'না, আমরা তার মৃত্যূদন্ড চাই ।' উমর রাঃ বালকটির কাছে জানতে চাইলেন 'তোমার কি কোন শেষ ইচ্ছা আছে?' বালকটি বলল 'আমার আব্বা মারা যাওয়ার সময় আমার ছোট ভাইয়ের জন্য কিছু সম্পদ রেখে যান,যা আমি এক যায়গায় লুকিয়ে রেখেছি । আমি তিন দিন সময় চাই, যাতে আমি সেই জিনিস গুলো আমার ভাইকে দিয়ে আসতে পারি । আমার কথা বিশ্বাস করুন । উমর রাঃ বললেন 'আমি তোমাকে বিশ্বাস করতে পারি যদি তুমি এক জন জামিন জোগাড় করতে পার যে নিশ্চয়তা দেবে যে তুমি ফিরে আসবে ?' বালকটি দরবারের চারদিকে তাকাল এত মানুষের মধ্যে কেউই তার জামিন হল না ।সবাইনিচের দিকে তাকিয়ে রইল। হঠাত্ দরবারের পেছন থেকে একটি হাত উঠল । কারহাত ছিল এটি? প্রখ্যাত সাহাবী আবু যর গিফারী (রাঃ) , তিনি বললেন 'আমি তার জামিন হব' চিন্তা করুন জামিন মানে হল, যদি বালকটি ফিরে না আসে তবে আবু যর গিফারী রাঃ এর শিরচ্ছেদ করা হবে। সুতরাং, বালকটিকে ছেড়ে দেওয়া হল । এক দিন গেল, দ্বিতীয় দিনেও বালকটি আসল না, তৃতীয় দিনে ২ভাই আবু যর গিফারীরাঃ এর কাছে গেল । আবু যর রাঃ বললেন 'আমি মাগরিব পর্যন্ত অপেক্ষা করব' মাগরিবের কিছুক্ষণ আগে আবু যর গিফারী রাঃ দরবারের দিকে রওনা হলেন । মদিনার লেকজন তাঁর পেছন পেছন যেতে লাগল । সবাই দেখতেচায় কি ঘটে ।আবু যর রাঃ একটি বালকের ভুলের কারণে আজ জীবন দিচ্ছেন । হঠাত্ আজানের কিছুক্ষণ আগে বালকটি দৌড়ে আসল । লোকেরা সবাই অবাক হল । উমর রাঃ বললেন 'হে বালক তুমি কেন ফিরে এসেছ? আমিতো তোমার পিছনে কোন লোক পাঠাইনি । কোন জিনিসটা তোমাকে ফিরিয়ে আনল? বালকটি বলল 'আমি চাই না যে, কেউ বলুক একজন মুসলিম কথা দিয়েছিন কিন্তু সে তা রাখে নি তাই আমি ফিরে এসেছি' উমর রাঃ আবু যর রাঃ কে বললেন 'হে আবু যর. তুমি কেন এই বালকের জামিন হলে?' আবু যর রাঃ বললেন 'আমি দেখলাম একজন মুসলমানের সাহায্য প্রয়োজন, আমি চাই না যে, কেউ বলুক একজন মুসলমানের সাহায্য প্রয়োজন ছিল কিন্তু কোন মুসলমান তাকে সাহায্য করেনি।' এ কথা শুনে দুই ভাই বলল 'আমরাও চাই না যে কেউ বলুক একজন মুসলমান ক্ষমা চেয়েছিল কিন্তু অন্য মুসলমান তাকে ক্ষমা করেনি' তারপর বালকটিমুক্তি পেল । যে ব্যক্তি কোন মুসলমানকে কষ্ট দিল সে আল্লাহকে কষ্ট দিলো' । [ তিরমিয়ী শরীফ ] বর্তমান সমাজে কি পাওয়া যাবে মুসলিম ভ্রাতৃত্বের এই অপরূপ দৃষ্টান্ত?? যারা ইসলামকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে তারা যেন দেখে নেয় ইসলামের সুন্দরয ! দয়া করে পোষ্টটি অবশ্যই অবশ্যই শেয়ার করে সকল মুসলিম ভাইদের পড়ার সুযোগ করে দিবেন সবার কাছে অনুরোধ রইল 'এড়িয়ে যাবেন না কিন্ত'