Buy IP
Wednesday, May 4, 2016
তিত পোল্লা
Tuesday, May 3, 2016
Monday, May 2, 2016
সাইকোলজিক্যাল খেলা

টিচার খুব আন্তরিকতার সাথেই পাশের মেয়েটাকে বললেন– জননী তোমার কি বিয়ে হয়েছে? মেয়েটা একটু লজ্জা পেয়ে বলল- জ্বী স্যার। আমার একটা দুই বছরের ছেলে আছে।
টিচার চট করে দাঁড়ালেন। খুব হাসি হাসি মুখ নিয়ে বললেন- আমরা আজ আমাদেরই একজনের প্রিয় মানুষদের নাম জানবো। এই কথা বলেই মেয়েটার দিকে তাকিয়ে বললেন – মা আজকে তুমিই টিচার। এই নাও চক, ডাষ্টার।
যাও তোমার প্রিয় দশ জন মানুষের নাম লেখো। মেয়েটা বোর্ডে গিয়ে দশ জন মানুষের নাম লেখলো। টিচার বললেন,
এরা কারা? তাদের পরিচয় ডান পাশে লেখো। মেয়েটা এদের পরিচয় লেখলো।
সংসারের সবার নামের পাশে দুই একজন বন্ধু, প্রতিবেশীর নামও আছে। টিচার এবার বললেন – লিষ্ট থেকে পাঁচ জনকে মুছে দাও। মেয়েটা তার প্রতিবেশী, আর ক্লাশমেটদের নাম মুছে দিলো।
টিচার একটু মুচকি হাসি দিয়ে বললেন, আরো তিন জনের নাম মুছো। মেয়েটা এবার একটু ভাবনায় পড়লো। ক্লাশের অন্য ষ্টুডেন্টরা এবার সিরিয়াসলি নিলো বিষয়টাকে। খুব মনযোগ দিয়ে দেখছে মেয়েটার সাইকোলজি কিভাবে কাজ করছে। মেয়েটার হাত কাঁপছে।
টিচার একটু মুচকি হাসি দিয়ে বললেন, আরো তিন জনের নাম মুছো। মেয়েটা এবার একটু ভাবনায় পড়লো। ক্লাশের অন্য ষ্টুডেন্টরা এবার সিরিয়াসলি নিলো বিষয়টাকে। খুব মনযোগ দিয়ে দেখছে মেয়েটার সাইকোলজি কিভাবে কাজ করছে। মেয়েটার হাত কাঁপছে।
সে ধীরে ধীরে তার বেষ্ট ফ্রেন্ডের নাম মুছলো। এবং বাবা আর মায়ের নামও মুছে দিলো। এখন মেয়েটা রিতিমত কাঁদছে।
যে মজা দিয়ে ক্লাশটা শুরু হয়েছিলো, সেই মজা আর নেই। ক্লাশের অন্যদের মাঝেও টানটান উত্তেজন। লিষ্টে আর বাকী আছে দুইজন। মেয়েটার হাজবেন্ড আর সন্তান। টিচার এবার বললেন, আরো একজনের নাম মুছো। কিন্তু মেয়েটা ঠায় দাঁড়িয়ে রইলো। কারো নাম মুছতে সে আর পারছেনা। টিচার বললেন – মা গো, এইটা একটা খেলা। সাইকোলজিক্যাল খেলা। জাষ্ট প্রিয় মানুষদের নাম মুছে দিতে বলেছি, মেরে ফেলতে তো বলিনি!!!
মেয়েটা কাঁপা কাঁপা হাত নিয়ে ছেলের নামটা মুছে দিলো। টিচার এবার মেয়েটার কাছে গেলেন, পকেট থেকে একটা গিফ্ট বের করে বললেন– তোমার মনের উপর দিয়ে যে ঝড়টা গেলো তার জন্য আমি দুঃখিত।
আর এই গিফ্ট বক্সে দশটা গিফ্ট আছে। তোমার সব প্রিয়জনদের জন্য।
আর এই গিফ্ট বক্সে দশটা গিফ্ট আছে। তোমার সব প্রিয়জনদের জন্য।
এবার বলো, কেন তুমি অন্য নামগুলো মুছলে। মেয়েটা বলল- প্রথমে বন্ধু আর প্রতিবেশীদের নাম মুছে দিলাম।
কারন তবু আমার কাছে বেষ্ট ফ্রেন্ড আর পরিবারের সবাই রইলো। পরে যখন আরো তিন জনের নাম মুছতে বললেন, তখন বেষ্ট ফ্রেন্ড আর বাবা মায়ের নাম মুছে দিলাম। ভাবলাম, বাবা মা তো আর চিরদিন থাকবে না। আর বেষ্ট ফ্রেন্ড না থাকলে কি হয়েছে?
আমার কাছে আমার পুত্র আর তার বাবাই বেষ্ট ফ্রেন্ড। কিন্তু সবার শেষে যখন এই দুইজন থেকে একজনকে মুছতে বললেন তখন আর সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলাম না।
পরে ভেবে দেখলাম, ছেলেতো বড় হয়ে একদিন আমাকে ছেড়ে চলে গেলেও যেতে পারে। কিন্তু ছেলের বাবাতো কোন দিনও আমাকে ছেড়ে যাবে না।
------সানি হাসান
অভিজ্ঞতা
স্তব্ধ হয়ে যাবেন আপনিও যৌনকর্মীদের এই সব অভিজ্ঞতা পড়লে…
যদি ভেবে থাকেন, দিনরাত যৌনতাই একমাত্র অত্যাচার, তা হলে নির্ঘাত ভুল করবেন। যৌনকর্মীদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, তাঁদের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে। শুনে নিন… আজব ব্যাপার বটে। লন্ডনের এক যৌনকর্মী বলছেন, ‘‘বিকৃত কাম কত ধরনের হয়, তা এই পেশায় থাকলে বেশ বোঝা যায়। এক ব্যক্তি আমার কাছে আসেন। একটি কাচের গ্লাসে আমাকে প্রস্রাব করতে বলেন। এ জন্য ২০০ ডলার দিতে প্রস্তুত ছিলেন তিনি।’’ কী করেছিলেন ওই যৌনকর্মী? যে স্ট্রিপ বার-এ তিনি কাজ করতেন, তার বাউন্সারের কাছে গ্লাসটি নিয়ে গিয়েছিলেন ওই যৌনকর্মী। তাঁকে দিয়ে প্রস্রাব করিয়েছিলেন এবং সেই প্রস্রাব নিয়ে গিয়েছিলেন সেই ব্যক্তির কাছে। এর পরের ঘটনা আরও অবাক করে দেওয়ার মতো। ওই যৌনকর্মী বলছেন, ‘‘উনি একবার শুঁকেই বলে দিলেন, ছেলেদের প্রস্রাব। তার পরে উনি আর এদিকে আসেননি।’’ আর একজনের বয়ান, ‘‘এক ক্লায়েন্টের দাবি ছিল, রাতভর ওঁকে বাথটাবে চুবিয়ে অজ্ঞান করতে হবে। তার পরে জ্ঞান ফেরাতে হবে, এবং ফের অজ্ঞান করতে হবে।’’ তৃতীয়জনের বক্তব্য, একজন তাঁর পায়ের মোজা খুলিয়ে দাঁত যেভাবে পরীক্ষা করে, সেভাবে রাতভর তাঁর পায়ের আঙুল পরীক্ষা করে গিয়েছিলেন। আর একজন রাতভর যৌনকর্মীকে দিয়ে ঘর পরিষ্কার করিয়েছিলেন। তবে অত্যাচার কেমন মাত্রা ছাড়ায় তা বোঝা যাবে এই বয়ানটি শুনলে। এক যৌনকর্মী বলেছেন, ‘‘বাড়িতে নিয়ে গিয়ে আমাকে নগ্ন করেছিলেন প্রথমে। তার পরে দেওয়ালের দিকে মুখ করিয়ে দাঁড় করানো হয়।’’ অতঃপর? রাতভর ‘‘ইউলিসিস’’ বইটি পড়ে শোনাতে হয়েছে ক্লায়েন্টকে। এক যৌনকর্মী বলছেন, একবার কয়েকজন যুবক তাঁর কাছে এসেছিলেন অদ্ভুত আবদার নিয়ে। কনুই ঘষে দিতে হবে! একজন আবার যৌনকর্মীর কাছে আসতেন স্রেফ অণ্ডকোষে লাথি খাওয়ার জন্য। ৫ থেকে ১০টি লাথি খেয়ে চলে যেতেন। উৎস : এবেলা। ok
Sunday, May 1, 2016
মজার তথ্য

বৈবাহিক জীবন ৫০বছর হলে সেই দম্পতিকে প্রেসিডেন্ট পদক দেয়া হয় - পোল্যান্ডে !
বিশ্বের সবচাইতে ধনী ৩ জন লোকের মোট টাকার পরিমান গরীব ৪৮ টি দেশের মোট টাকার চাইতেও বেশি।
য়েস্ট ইন্ডিজ লিজেন্ড স্যার গ্যারি সোবার্স একমাত্র ব্যাক্তি যিনি ক্রিকেট এবং ফুটবল উভয় বিশ্বকাপ খেলেছেন।
Underground একমাত্র শব্দ যার শুরু এবং শেষে und অক্ষরগুলো আছে।
জিদান তার পুরো ক্যারিয়ারে কখনও অফসাইড হন নি!
বিষ প্রয়োগে ঢলে পড়ার সময় পিঁপড়া সবসময় তার ডান দিকে ঢলে পড়ে! ইঁদুর আর ঘোড়া কখনো বমি করেনা!
বাদুড়ের পায়ের হাড্ডি এতটাই নরম যে, এরা হাঁটতে পারে না!
গরুর গন্ধশক্তি প্রবল। এটি প্রায় ৬ মাইলদূর থেকে কোনো কিছুর গন্ধপেতে পারে!
মানুষের শরীরের রক্ত শরীরের ভেতর প্রতিদিন ১৬ লাখ ৮০ হাজার মাইল সমান পথ অতিক্রম করে।
গ্যালিলিও দূরবীন আবিষ্কার করার আগে মানুষ খালি চোখে আকাশে মাত্র পাঁচটি গ্রহ দেখতে পেতো!
সিংগাপুর মানে সিংহের শহর, কিন্তু প্রাকৃতিকভাবে সেখানে সিংহ নাই।
মানুষ এবং কলার ডিএনএর মধ্যে প্রায় 50 শতাংশ মিল আছে।
মধু হজম করা সহজ কারণ মৌমাছি তো খাবারটা একবার হজম করে আপনার জন্য রেখেছে।
যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি ঘন্টায় প্রায় সাড়ে ১২ হাজার করে কুকুর বিড়ালের বাচ্চা জন্ম নেয় ।
প্রতি বছর গড়ে উঃ আমেরিকার বাচ্চারা হাফ বিলিয়ন ডলার খরচ করে চুইং গাম কিনতে।
পৃথিবীতে মাত্র তিনটা দেশ সাহারা মরুভূমির চেয়ে বড়, দেশগুলো হলো - রাশিয়া, চীন ও কানাডা !
ব্রাজিলের Monumental Axis সবচেয়ে প্রসস্ত রাস্তা যেখানে একসাথে ১৬০টি কার চলতে পারে।
তথ্য বেশি হয়ে গেলে মানুষের মস্তিষ্ক ইচ্ছা করেই অনেক তথ্য ভুলে যায়, যাতে সে নতুন তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
যমজ ছাড়া পৃথিবীর প্রত্যেকটি মানুষের শরীরের গন্ধ আলাদা।
Subscribe to:
Posts (Atom)


