Buy IP

********** Welcome to Buy ip **********

Tuesday, March 22, 2016

tree man....শিকড় মানব



মা শুধু কাদে ছেলের রুগ মুক্তির জন্যে............
(আবুলের রক্ত পরীক্ষা করার জন্য যুক্ত রাষ্টে পাঠানো হলো।)
প্রথমে সে নিজেকে লুকিয়ে রাখতো লোক চক্ষুর আড়ালে,,তার 
পরিবার,,বাবা,মাও অভিশাপ মনেকরে কাউকেই বলতোনা কিছু।যখন আবুলের রোগটি ব্যাপক আকার নেয়,,তখন আবুল পরিবার কে কিছু না জানিয়ে একদিন রাতের আধারে গৃহত্যাগী হয়। আবুল ঘুরতে থাকে রোগ মুক্তির আশায়,,ভিবিন্ন মাজারে,,মাজারে।এক স্থানে বেশি  দিন কখনই থাকেনি আবুল। এক সময় ক্লান্ত হয়ে পরে আবুল..শিকড় গুলো বেশ বড় এবং ভারী হয়ে যাওয়াতে সিদ্ধান্ত নেয় বাড়ি ফিরার।তার পর ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতাল এবং মিডিয়া পাবলীসিটি।পৃথিবীতে এমন জটিল আচিল ধরনের রুগী আবুল একা নয়।তবে চিনদেশের ভাইটির চিকিৎসায় সফল হতে পারেনি কয়েকটি দেশের ডাক্টার মিলেও।আবুলের ভাগ্যে যেনো এমন না হয় আমরা এই দোয়াই করি আল্লাহ পাকের কাছে। হে আল্লা তোমার মহিমা ও দয়া অপার আমাদের পানাহা দান করুন।(আমিন)


কামরাঙ্গা



মুকুট



চার সর্বশ্রেষ্ঠ জান্নাতি নারী

আল্লাহর রসুল (স) একবার চারটা দাগ কেটে ওনার সাহাবিদের জিজ্ঞেস করলেন " তোমরা কি জানো এগুলো কি?" সাহাবিগণ উত্তর দিলেন " আল্লাহ ও তাঁর রাসুল ভাল জানেন" । রসুল (স) বললেন " সর্বশ্রেষ্ঠ চার জান্নাতি নারী হল খাদিজাহ বিনত খুআলিদ, ফাতিমাহ বিনতে মুহাম্মাদ, মারিয়াম বিনতে ইমরান, এবং আসিয়াহ বিনতে মুযাহিম ( ফেরাউনের স্ত্রী) ।
হজরত খাদিজাহ হল প্রথম ব্যক্তি যিনি আল্লাহর রাসুলের প্রতি ইমান এনেছিলেন। কেন তাকে সর্বশ্রেষ্ঠ নারীদের একজন বলা হয়েছে? এটাকি তাঁর ব্যবসায়িক সাফল্যের জন্য? তাঁর জ্ঞানের জন্য? ঠিক কি কারণে তাঁকে এই উপাধি দেয়া হয়েছে তা নিয়ে আমাদের গভীর ভাবে চিন্তা করা দরকার। বিশেষ করে আমাদের বোনদের।
আমার যদি এই চার মহীয়সী নারীর জীবন পর্যালোচনা করি তাহলে তাদের মধ্যে দুটি বিষয়ের মিল দেখি -
১। তারা অত্যন্ত মজবুত ইমানের অধিকারি ছিলেন। তাদের ইমান ছিল ইয়াকিনের পর্যায়ে। ইয়াকিন হল সেই রকম বিশ্বাস যাতে কোন ভাবেই চিড় ধরানো যায়না। যে অন্তরে ইয়াকিন আছে সে অন্তর চোখের দেখা, কানের শোনা কে উপেক্ষা করে তাঁর বিশ্বাসকে প্রাধান্য দেয়। তাদের সকলের ইমান যে ইয়াকিনের পর্যায়ে ছিল ,এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই।
ফিরাউনের স্ত্রী , হজরত আসিয়াহ র উদাহরণ ধরুন। একজন মহিলা পৃথিবিতে যা চাইতে পারে তার সবই তাঁর ছিল। আরামদায়ক জীবন, ধন সম্পদ, ধনি ও প্রভাবশালী স্বামী, ক্ষমতা, দাসদাসী, খাদেম। কিন্তু ইমানের স্বার্থে, আল্লাহর জন্য তিনি এর সবই পরিত্যগ করতে রাজি ছিলেন।
তিনি বাস করতেন সে সময়ের সর্বোৎকৃষ্ট প্রাসাদে। কিন্তু তারপরও তিনি আল্লাহকে দোয়া করেছিলেন -
৬৬ - ১১.) আর ঈমানদারদের ব্যাপারে ফেরাউনের স্ত্রীর উদাহরণ পেশ করছেন। যখন সে দোয়া করলো, হে আমার রব, আমার জন্য তোমার কাছে জান্নাতে একটি ঘর বানিয়ে দাও ...
আমাদের বুঝতে হবে হজরত আসিয়াহ একটি অত্যন্ত বিষাক্ত পরিবেশে ছিলেন, যা ছিল সব দিক থেকেই ইমানের পরিপন্থী। আল্লাহর শত্রুদের সাথেই ছিল তাঁর বসবাস। কুফরি শক্তিকে উপেক্ষা করে নিজেকে আল্লাহর পথে অটুট রেখে তিনি ইমানের এক অপূর্ব দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গিয়েছেন ।
আমরা অপর তিন জনের জীবন পর্যালোচনা করলেও একই রকম বলিয়ান ইমানের দৃষ্টান্ত দেখতে পাই।
২। তাদের মধ্যে দ্বিতীয় যে ব্যপারটি সাধারণ ছিল তা হোল তাঁরা সর্বশ্রেষ্ঠ মা অথবা স্ত্রী ছিলেন। এখন এই ব্যপারে নারীবাদীদের এবং আমাদের সেসব বোনদের যারা নারীবাদীদের দারা প্রভাবিত তাদের আপত্তি থাকতে পারে।
হজরত মরিয়ম বড় করেছিলেন হজরত ঈসাকে আর হজরত আসিয়াহ বড় করেছিলেন হজরত মুসা কে ।
হজরত খাদিজাহ কে আল্লাহ এত মর্যাদা দিয়েছেন তা কিন্তু এই জন্য নয় যে তিনি অনেক সফল ব্যবসায়ী ছিলেন।
বরং তিনি ছিলেন আল্লাহর রসুল মুহাম্মদ (স) এর অসাধারণ এক সহধর্মিণী। আল্লাহর রাসুলের (স) যখনি প্রয়োজন, তখনি তিনি পাশে পেয়েছিলেন হজরত খাদিজাকে। আল্লাহর রসুলের (স) নবুয়তের শুরুতে সবচেয়ে নাজুক পরিস্থিতিতে অবিচল সাহস আর প্রেরণা দিয়েছেন হজরত খাদিজাহ।
আর হজরত ফাতিমা ছিলেন আমিরুল মু'মিনিন হজরত আলির (র) সহধর্মিণী। হজরত আলি অত্যন্ত সাধারণ জীবনজাপন করতেন। ঘরের কাজ করতে হজরত ফাতিমাকে অনেক বেগ পেতে হত।
একবার তারা আল্লাহর রাসুল (স) এর কাছে একজন ভৃত্য প্রার্থনা করলেন। আল্লাহর রসুল (স) তাদের জবাবে বললেন আমি তোমাদের এরচেয়েও উত্তম কিছু শিখিয়ে দিচ্ছি। তোমরা শুতে যাবার আগে ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ , ৩৪ বার আল্লাহু আকবর ও ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ বলবে।
ফাতেমাকে আল্লাহর রাসুল (স) অত্যন্ত ভালবাসতেন। তিনি বলেছিলেন ফাতিমা আমার একটি টুকরো। সে যাতে খুশি হয় , আমিও তাতে খুশি হই। সে যাতে কষ্ট পায়, আমিও তাতে কষ্ট পাই। ফাতেমা ছিলেন আল্লাহর রাসুলের (স) একমাত্র জীবিত সন্তান।
আল্লাহর রাসুল (স) চাইলে ফাতেমাকে একজন কেন, দশ জন খাদেম দিতে পারতেন । কিন্তু তিনি তা না করে ফাতেমাকে উপদেশ দিলেন, ঘরের কাজ নিজের হাতে করে যেতে।
এবং এই কারণেই হজরত ফাতেমা চার সর্বশ্রেষ্ঠ নারীদের একজন। জ্ঞানের দিক থেকে হজরত আয়েশা( আল্লাহর রাসুলের স্ত্রী) খাদিজাহ ও ফাতেমার উপরে, কিন্তু মর্যাদার দিক থেকে উনি খাদিজাহ ও ফাতেমার সমকক্ষ ছিলন না।
আমাদের বোনেরা, আপনারা যখন আপনাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করবেন তখন আপনাদের কিসের উপর বেশি প্রাধান্য দেয়া দরকার তা ঠিক করে নেন।
আমরা বলছিনা যে আপনারা জ্ঞান অর্জন করবেননা বা ইসলামের কাজ করবেন না, কিন্তু আপনাদের সবসময় মাথায় রাখা দরকার কিসে আল্লাহ সুবহানু ওয়া তাআলা আপনাদের সবচেয়ে বেশি মর্যাদা দিয়েছেন।


Monday, March 21, 2016

কেন কম্পিউটার কি-বোর্ডে F এবং J বোতামে ‘বাম্প’ থাকে



একটু খেয়াল করলেই দেখতে পারবেন কম্পিউটার কি-বোর্ডে দু’টি বোতাম F এবং J নিচের দিকে একটু উঁচুমতো ‘বাম্প’ থাকে। অনেকে আবার এটাকে ইংরেজিতে ‘নচ্’ বলে। আসুন জেনে নিই কম্পিউটার কি-বোর্ডে দু’টি বোতাম F এবং J নিচের দিকে একটু উঁচুমতো ‘বাম্প’ থাকার কারন কি???

আমরা সাধারণত যারা টাইপ করি তারা কি-বোর্ডের দিকে না তাকিয়ে টাইপ করি, আর পেশাদার টাইপিস্টদের বেলাই তো কোন কথাই নেই। তারা কখনওই কি-বোর্ডের দিকে তাকিয়ে টাইপ করেন না। তারা র'কপি-র দিকে তাকিয়ে বা কম্পিউটার স্কিনের দিকে তাকিয়ে দ্রুত টাইপ করতে থাকেন। আর এই দ্রুত টাইপের রহস্য লুকিয়ে তর্জনি এবং F ও J বোতাম দু’টিতে। দু’হাতের দু’টি তর্জনি এই দু’টি বোতামে রাখলে বাকি বোতামগুলিতে আঙুল যাতায়াত করে অনায়াসে। তাই এই তর্জনি আঙ্গুল দু'টি যেন ঠিক থাকে তার জন্য F ও J বোতাম দু’টিতে বাম্প ব্যবহার করা হয়। আপনার আঙ্গুল যদি গন্তব্য অর্থ্যাৎ F ও J বোতাম থেকে অন্য যায়গায় সরে যায় তাহলে আপনি যেন না দেখেই বুঝতে পারেন ও না দেখেই উক্ত যায়গাতে ফিরে আসতে পারেন তার জন্য F ও J বোতাম দু'টিতে বাম্প ব্যবহার করা হয়।

যে সারিতে এই বোতাম দু’টি থাকে সেটিকে বলা হয় ‘হোম রো’। টাইপিস্টদের আঙুল এই সারিতেই থাকে। এখান থেকেই বাকি বোতামগুলিতে আঙুল যাতায়াত করে সহজভাবে।
আরো জানুন 


লোহা- একটি আসমানী নেয়ামত


লোহা একটি মৌলিক পদার্থ। যার পারমাণবিক সংখ্যা ২৬ এবং রাসায়নিক সঙ্কেত। প্রকৃতিতে ধাতুগুলোর মধ্যে প্রাচুর্যের দিক থেকে অনন্য স্থান লোহার। পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দুর অংশটি লোহার তৈরি। এ হিসেবে পৃথিবীতে লোহার পরিমাণ অনেক। এটি এক ধরনের ধাতু। আমরা অনেকেই মনে করি, অতি পরিচিত মৌল লোহার কোনো বিশেষত্ব নেই; এটি পৃথিবীতে অন্যান্য পদার্থের মতো সৃষ্টি হয়েছে। অথচ পবিত্র কোরআনের ৫৭নং সূরা আল হাদিদের ২৫নং আয়াতে বলা হয়েছে, ‘আল্লাহ লোহা পাঠিয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে প্রচন্ড শক্তি এবং এতে রয়েছে মানুষের জন্য বহুবিধ কল্যাণ।’ তাফসিরে মাজহারির নবম খন্ডের ১৮৪ পৃষ্ঠায় হজরত ইবনে ওমর (রা.) -এর বরাত দিয়ে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা নভোমন্ডল থেকে ভূমন্ডলে চারটি বরকত নাজিল করেছেন- লোহা, আগুন, পানি ও লবণ।
তাফসিরে ইবনে কাছিরে আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) -এর উদ্ধৃতি আনা হয়েছে। তিনি বলেন, তিনটি জিনিস আদম (আ.)-এর সঙ্গে জান্নাত থেকে এসেছে- ১. লৌহকর্মের দণ্ড বিশেষ, ২. গোর্জ, ৩. হাতুড়ি। এছাড়া কোরআনে কারিমে যে আল্লাহ তায়ালা লোহার বহুবিধ কল্যাণের কথা উল্লেখ করেছেন, তা আমরা আমাদের নিত্য ব্যবহারিক জিনিসপত্রের দিকে দৃষ্টি দিলেই দেখতে পাই। বাসাবাড়িতে রান্নাবান্নার হাঁড়ি-কড়াই, কুটাকাটার যন্ত্রপাতি- দা, বঁটি, ছুরি, কাঁচি; বাড়িঘর নির্মাণের মূল উপকরণ রডসহ ব্যবহার ও নির্মাণের সিংহভাগ উপকরণই লোহার তৈরি। শিল্পকারখানার ইঞ্জিন, যন্ত্রাংশ, কলকব্জা, যোগাযোগ মাধ্যমের বাহন- সাইকেল, ভ্যান, রিকশা, বাস, মিনি বাস, ট্রলার, স্টিমার, লঞ্চ ও ট্রেন; পণ্য পরিবহনের লরি, ট্রাক এমনকি বিমানেরও অধিকাংশ যন্ত্রাংশও লোহার তৈরি। লোহা সম্পর্কিত কোরআনে প্রদত্ত তথ্যগুলো বিজ্ঞানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
লক্ষ করলে দেখা যায়, আমাদের পৃথিবীর একদম মধ্যবর্তী স্থানটি অর্থাৎ পৃথিবীর কেন্দ্র লোহার তৈরি। সূরা হাদিদ (হাদিদ অর্থ লোহা) কোরআনের ঠিক মধ্যখানে অবস্থিত। কোরআনের ১১৪টি সূরার মধ্যে সূরা হাদিদ ৫৭নং সূরা। অর্থাৎ হাদিদের অবস্থান একেবারে মাঝখানে। আবার হাদিদের অ্যাটোমিক নাম্বার বা পারমাণবিক সংখ্যা ২৬। আর ‘হাদিদ’ শব্দটির সংখ্যাগত মানও ২৬ (হা = ৮, দাল = ৪, ইয়া = ১০ এবং দাল = ৪)। এছাড়া লোহার পারমাণবিক সংখ্যা ২৬ হওয়ায় লোহা পরমাণুর অভ্যন্তরে ২৬টি প্রোটন ও ২৬টি ইলেকট্রনও রয়েছে।মানবজাতির জন্য অত্যন্ত সৌভাগ্য আর খুশির বিষয় হলো সর্বস্রষ্টা করুণাময় আল্লাহর নিয়ম এমন যে, পৃথিবীর যে বস্তুটা যত বেশি প্রয়োজনীয় ও উপকারী, আল্লাহ তায়ালা মানব সম্প্রদায়ের জন্য সে বস্তুটিকে তত বেশি সস্তা ও সহজলভ্য করে দিয়েছেন। ধরুন, লোহা যদি স্বর্ণ-রৌপ্যের মতো দামি হতো, তাহলে সর্বসাধারণের পক্ষে তা ক্রয় করা কতই না দুঃসাধ্য হয়ে দাঁড়াত!