Buy IP

********** Welcome to Buy ip **********

Monday, March 7, 2016

একটি শিশির বিন্দু





‘দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া / ঘর হইতে দুই পা ফেলিয়া
একটি ধানের শীষের উপর/ একটি শিশির বিন্দু।’

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই লেখায় চমৎকারভাবে ধরা পড়েছে শিশিরফোঁটার সৌন্দর্য। স্নিগ্ধ ভোর কিংবা ক্লান্ত সন্ধ্যায় আমরা ঘাসের উপরে ঝিলমিল করতে দেখি শিশিরবিন্দু। কখনো কি ভেবে দেখেছ, এই শিশির আসলে কীভাবে তৈরি হয়?


বাতাসে আরো অনেক উপাদানের সঙ্গে থাকে জলীয় বাষ্প। তাপমাত্রা কমে গেলে সেই বাষ্প ঠাণ্ডা হতে থাকে এবং একসময় পানিতে পরিণত হয়, তৈরি করে ছোট ছোট পানির ফোঁটা। তারপর তা জমা হয় ঘাসের উপরে, পাতার কোলে। এটাই শিশির। 



যেহেতু শীতকালে তাপমাত্রা কম থাকে, তাই শীতকালেই শিশিরবিন্দুর উপস্থিতি থাকে সবচেয়ে বেশি। তবে অন্য ঋতুতেও শিশির জমে। সাধারণত সন্ধ্যার পর থেকে তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে কমতে থাকে। তাই সন্ধ্যার পর থেকে ভোর পর্যন্ত প্রকৃতিকে সিক্ত করে মুক্তোর মতো শিশিরের বিন্দু।


তবে সূর্য ওঠার পর সূর্যের তাপে তাপমাত্রা বাড়তে থাকে, ফলে তাপ পেয়ে আবার বাষ্পতে পরিণত হয় শিশির। সেই বাষ্প বাতাসে মিশে যায়, তাপমাত্রা কমে গেলে আবার তা শিশিরের রূপ ধারণ করে। 



সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই কিন্তু শিশির মিলিয়ে যায় না। ধীরে ধীরে হাওয়ায় মিলিয়ে যাওয়ার আগে সকালের প্রথম রোদে ঠিকই ঝলমল করে ওঠে প্রকৃতির এই অপরূপ সৃষ্টি। 
আরো জানুন 


Thursday, March 3, 2016

উপন্যাস খাঁচার পাখী

স্কুল ছুটি। আজ দুপুরে খুব গরম পরেছে। রকিব হাসান বাড়ান্দায় চেয়ার পেতে বসে বৈকালিক বাতাসে শরীর জুড়াচ্ছে। উঠানে বাচ্চা সঙ্গে মা গুরগীটা ঘুরে বেড়াচ্ছে। রকিব সেগুলো দেখতে দেখতে মনের পাতায় ভেসে উঠে অতীতের কিছু স্মৃতি, কিছু বিরহের কথা কিছু বেদনা-----


পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ শান্তির স্থান



জল পরী




সেন্টমার্টিন দী্প-এর ভয়ংকর সেই মৃত্যুফাঁদ !

যারা গেছেন তারা নিশ্চই জানেন যে প্রথমে জাহাজে করে সবাইকে সেন্টমার্টিন ফেরীলাইনে নামিয়ে দেয়া হয়। আর সেখান থেকে পায়ে হেটে ব্রীজটা পার হয়ে এসে নামতে হয় সেন্টমার্টীন দ্বীপে।


এখানে নামলেই হাতের ডানদিকে যে বীচ টা দেখা যায় প্রায় বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই আমরা সবাই এই বীচ ধরে হাটি এবং ব্রীজের গোড়ার দিক থেকে পানিতে নামি আর কিনারা ঘেষে ডান দিকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকি।।পানিতে একবার নেমে পড়োলে আমরা আর কেউই কিন্তু বালিতে উঠে আসতে চাইনা সামনে এগুতে থাকি পানি ধরেই। ঠিক সোজা সামনের দিকে এগিয়ে গেলে এবার দ্বীপটা হাতের বা দিকে টার্ন নেয়। ঐ জায়গাকে বলা হয় “জিনজিরা উত্তরপাড়া” স্থানীয়রা বলেন উত্তর বীচ।।.দুইদিকের পানির স্রোত এবং ঐ ত্রিকোনাকৃতির মধ্যস্রোত এই জায়গাটিতে মিলিত হয়েছে এবং ত্রিমুখি স্রোতের কারনে পানির চাপ খুব বেশী ওখানটায় এবং চাপটা নিন্মমুখি।
স্থানটা দেখতে অনেকটা লম্বাটে খালের মত, আর এই ত্রিমুখি স্রোতের কারনে অনেক জায়গাজুড়ে বড়সড়ো গর্ত তৈরী হয়েছে। আমরা অনেকই এই বিষয়ে জানিনা এবং কোন নির্দেশনা নেই বলেই আমরা সাতার কাটতে কাটতে এই টার্ন দিয়েই বা পাশের বীচের দিকে এগুতে থাকি, আর তখনি কিছু বুঝে উঠার আগেই সমুদ্রের অতলে হারিয়ে যায় অনেকেই। আবার দ্বীপে গিয়ে বন্ধুদের সাথে কিছুটা নিরিবিলিতে পানিতে নামার লোভেও অনেকে এই স্থানটা বেচে নেয়। সর্বশেষ গত ১৪ এপ্রিল আহছান উল্লাহ ইউনিভার্সিটির এতগুলো ছাত্র অকালে প্রাণ হারালো ওই স্থানেই।
.
ভেবে দেখুন সব বন্ধু পাড়ে দাঁড়িয়ে আছে আর চোখের সামনে মায়াবী নীল পানি গ্রাস করে নিচ্ছে কাছের বন্ধুকে !! কতটা লোমহর্ষক!! ভাবতেই গা শিউরে উঠে।
সেন্টমার্টিন নেমে প্রথম বীচে হাটা শুরু করলেই কয়েক মিনিট পরেই এই অভিশপ্ত জায়গা অর্থাৎ অনেক কাছেই।ওখানকার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হতে হতে কিছু বুঝে উঠার আগেই হয়ত ভুলবশত আপনিও পা দিতে পারেন এই জায়গাটিতে!! কারন নীল পানির আচ্ছাদনে আলাদা করে বোঝার কোণ উপায়ই নেই।
খুব নাড়া দিয়ে উঠলো আর ধিক্কার দিতে ইচ্ছে করতেছে আমাদের নিষ্ঠুর বিবেক কে, এতটা নিশ্চিত জানা সত্তেও ওখানকার প্রশাসন কোণ ব্যবস্থা নেয়নি এই অভিশপ্ত জায়গা সম্পর্কে !! 
.
প্লীজ সবার কাছে অনুরোধ রইলো এই স্থানটা সম্পর্কে আপনার কাছের সবাইকে সচেতন করে দিন। ছবিগুলো ভালো করে দেখে নিন আর আপনার পরিচিত যারা যাচ্ছেন তাদের ভালো করে অই জায়গা সম্বন্ধে বুঝিয়ে দিন, জীবন মৃত্যুর মালিক আল্লাহ্‌ যদি আর একটি প্রাণ ও বাঁচে আপনার এই ছোট্র কাজ থেকে তাহলে অনেক বেশী উপকৃত হবেন।।
আরো জানুন